স্টাফ রিপোর্টার ফজলুল হক
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
আজকাল আমরা হরদমই ব্যবহার করি মেগাবাইট গিগাবাইট, এমনকি টেরাবাইটও আজকাল সাধারন জিনিস হয়ে যাচ্ছে। আর এ পরিমাপ পদ্ধতিগুলোর পরিচিতিতে বিশেষ অবদান রাখছে তথ্য প্রযুক্তি। তথ্য ধারন এবং তথ্য চলাচল পদ্ধতির পরিমাপে সবসময়েই ব্যবহার হয়েছে এই পরিমাপ মান গুলো। ইন্টারনেটের স্পীড বোঝাতে আমরা ব্যবহার করি বিট মানটি। আর এ বিট হলোে এ গুলোর একক। এ কারনে কম্পিউটার স্মৃতির ধারণক্ষমতার পরিমাপের ক্ষুদ্র একক হিসেবে বিট ব্যবহৃত হয়। আমরা এখন সবগুলো সম্পর্কে জানবো এবং পরিমাপ শিখবো ভাল করে।
বিট
বাইট
৮ বিটে এক বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যেকোনো বণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। কয়েকটি বিটের সমষ্টিকে এক সাথে বাইনারি বা কম্পিউটার শব্দ বলা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট (Bite)বলা হয়।
কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরির ধারণক্ষমতা বলে। মেমোরির ধারণক্ষমতার একক হলো বাইট। ৮ বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট। বাইনারি গণনা পদ্ধতিতে 0 ও 1 এই দু’টি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট। বর্ণ, অঙ্ক ও বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট করার জন্য বাইট ব্যবহার করা হয়।
কম্পিউটার স্মৃতির ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের বৃহৎ একক গুলো হল : কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট। নিচে এদের মধ্যে সম্পর্ক দেখানো হল :
আমাদের ছেলেপুলেদের পরে এক হাজার প্রজন্ম জন্ম নেবার পরে এই মাপগুলো হয়ত তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হযে যাবে, কে বলতে পারে, কি হবে তখনকার মুভি সাইজ কিংবা একটা গান এর সাইজ, কত হবে তখনকার ইন্টারনেট স্পীড। তবে এটুকু অনুমান করাই যায়, কয়েকশ বছর আগে অনেক মানুষ আমাদের বর্তমান অবস্থা কল্পনা করে বড় বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলেছেন। সুতরাং সেই একই কাজ আমাদের করার মানে হয় না, কারন যে সময়েই থাকুন না কেন আপনি, তার থেকেও উন্নততর সময়ের সম্ভাবনা থেকে যাবে সবসময়ই। তাই সন্তুষ্ট থাকুন বর্তমানেই। বর্তমানটাই বাস্তব, বাকিটুক এখনও ধোঁয়াশা..।